দিনটি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দিনটি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১১
Eid Duty
ঈদের দিন গুলোতে অফিসে দায়িত্ত্ব থাকে। ভালোই লাগে এ সময় টাতে। এমনিতেই ঈদের ছুটিতে বাড়ীতে যাওয়াটা খুব ই কষ্টের কাজ যাতায়াত সমস্যার কারণে।আর ঈদের সময়টাই তো ঢাকা কে উপভোগ করবার একমাত্র সময়(যদিও আমি কখনও সেভাবে করি না)। অফিসে এসেও খুবই ভালো লাগে। একটি অন্যরকম অফিসের আস্বাদ পাওয়া যায়। সালাম দেবার ঝামেলা থাকে না; ভীত সন্ত্রস্ত হবার ও দরকার হয় না। কাজ বলতে তেমন কিছুই থাকে না। বেশীর ভাগ সময়টা কেটে যায় টেলিভিশনের ঈদের অনুষ্টান দেখে। তবে একটা সমস্যা রয়েছে- বাস পাওয়া নিয়ে। বাস পেয়ে গেলে খুব বেশী সময় লাগে না বাসায় যেতে, কিন্তু সেটাকে পাওয়াটাই সমস্যা। এখন ডিউটিতেই আছি; কি আর করি! সময়টা কাটানোর চেষ্টা করছি। আমার আবার ঘুমের খুব প্রাদুর্ভাব। ভদ্রলোক আমাকে খুবই এড়িয়ে চলে। উনি বিশ্বাস করে না যে উনাকে আমি খুব একটা পছন্দ না করলেও এই সময়টাতে করে থাকি।
শুক্রবার, ২৬ আগস্ট, ২০১১
নষ্ট ছুটির দিন
প্রতিটি ছুটির দিনই একই ভাবে নষ্ট হচ্ছে। খুব দু:চিন্তায় আছি এটা নিয়ে। ছুটির আগের রাতে ঘুম আসে না, ানেক রাতে ঘুমাই। আর ছুটির দিনে ঘুম থেকে উঠি মধ্য দুপুরে। একটি মানুষ সদৃশ প্রানীর জীবন এভাবে চলতে লাগলে তো সামনে ঘোর তিমিরাচ্ছন্ন। দিন গুলো প্রতি নিয়ত নষ্ট হচ্ছে। পতিটা ছুটির রাতে মনে হয়, সামনের দিন থেকে আর এরাকম করব না, কিন্তু আমি ব্যর্থ। নিতের এই পঁচে য়াওয়া নিয়ে খুব ি ক্ষট হয়। কাজের কাজ কিছু করা হচ্ছে না। পড়াশোনাও করি না যেটা ক্রমশ দূরে চলে যাচ্ছে।কি করব আমি, সেটা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। প্রভু ানুগ্রহ করে আমাকে সঠিক পথে চালনা কর। আমি আর পাচ্ছি না
শনিবার, ১৪ মে, ২০১১
অনুরোধ, শিক্ষা, স্বীকৃতি ও শততম পোস্ট
প্রথমেই আমার একমাত্র প্রভুর প্রতি অনুরোধ রইল, তিনি যেন আমাকে তার প্রতি আরো বিশ্বাস ও ভক্তি দেন।
এটি এই বল্গের শততম পোস্ট; ভাবতে ভালো লাগছে এটা ভেবে যে মেঘে মেঘে কম বেলা হল না!!
আর তার থেকে বেশী ভালো লাগছে, আজ একটি অন্তরস্থলের আনন্দ নিয়ে লিখতে বসেছি, হয়ত পুরো অন্তরস্থল জুড়ে আনন্দটি না; কিন্তু অনেকটা জুড়ে।
জীবনের দীর্ঘতম চ্যাট করলাম গতকাল, আজও হয়েছে কিছুটা। সব চ্যাটের মত অহেতুক আর নিস্ফল নয় এটি। এর মাধ্যমে সম্পাদিত হয়েছে ছোট কিন্তু জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সমস্যার। কর্মজীবনের এটি আমার একটি গুরুত্ত্বপূর্ণ প্রাপ্তি। একটি উল্লেখযোগ্য শিক্ষা; পাশাপাশি হতে পারে একটি ছোট্ট স্বীকৃতি।
প্রভুকে ধন্যবাদ, একটি সুন্দর পরিবেশ করে দেবার জন্য কাজটি আমাকে দিয়ে সম্পাদিত করবার জন্য। আমার আধিকারিক আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন তার মূল্যবান সয় থেকে সময় বের করে। আমি মুখে কিছু বলতে পারি না, কিন্তু অন্তরের অন্তরস্থল থেকে তার প্রতি আমার সতেজ শুভকামনা থাকবে সবসময়।
প্রভু, তুমি আমাকে কাজের সুযোগ দিও, পুরস্কার দিবার প্রয়োজন নেই। আমি তো তোমারই অনুগ্রহে বন্দী।
এটি এই বল্গের শততম পোস্ট; ভাবতে ভালো লাগছে এটা ভেবে যে মেঘে মেঘে কম বেলা হল না!!
আর তার থেকে বেশী ভালো লাগছে, আজ একটি অন্তরস্থলের আনন্দ নিয়ে লিখতে বসেছি, হয়ত পুরো অন্তরস্থল জুড়ে আনন্দটি না; কিন্তু অনেকটা জুড়ে।
জীবনের দীর্ঘতম চ্যাট করলাম গতকাল, আজও হয়েছে কিছুটা। সব চ্যাটের মত অহেতুক আর নিস্ফল নয় এটি। এর মাধ্যমে সম্পাদিত হয়েছে ছোট কিন্তু জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সমস্যার। কর্মজীবনের এটি আমার একটি গুরুত্ত্বপূর্ণ প্রাপ্তি। একটি উল্লেখযোগ্য শিক্ষা; পাশাপাশি হতে পারে একটি ছোট্ট স্বীকৃতি।
প্রভুকে ধন্যবাদ, একটি সুন্দর পরিবেশ করে দেবার জন্য কাজটি আমাকে দিয়ে সম্পাদিত করবার জন্য। আমার আধিকারিক আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন তার মূল্যবান সয় থেকে সময় বের করে। আমি মুখে কিছু বলতে পারি না, কিন্তু অন্তরের অন্তরস্থল থেকে তার প্রতি আমার সতেজ শুভকামনা থাকবে সবসময়।
প্রভু, তুমি আমাকে কাজের সুযোগ দিও, পুরস্কার দিবার প্রয়োজন নেই। আমি তো তোমারই অনুগ্রহে বন্দী।
লেবেলসমূহ:
দিনটি,
DBBL,
Recent Days
মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
ডিবিবিএল আইটি অফিস পিকনিক-২০১১
২১ শে ফেব্রুয়ারী অফিসের পক্ষ থেকে বনভোজনে গিয়েছিলাম, স্থান-প্রশিকা, মানিকগঞ্জ। দিনটি নিয়ে সবার মতন আমার মনেও বেশ আপত্তি ছিল, যদিও তার বহিঃপ্রকাশ উপযুক্ত স্থানে ছিল না। এই সব অনুষ্ঠান সম্পর্কে আমার ধারণা ছোট বেলা থেকেই খুব খারাপ, তার পরেও অফিসে প্রথম বারের জন্য হওয়ায় হালকা উৎসাহ মনের মধ্যে লালন করেই পরিকল্পনা অনুযায়ী সময় মতনই সহকর্মী নির্ঝর দা ও তপন দাকে নিয়ে হাজির হলাম নির্ধারিত স্থানে। লটারী নামক একটি যন্ত্রনাময় জিনিস ডিবিবিএল পিকনিকের সাথে আষ্টেপিষ্টে লেগে আছে, আর সেই যন্ত্রনা বন্টনের দায়িত্ত্বটা ছিল আমার ও নির্ঝর দা'র উপর। চেষ্টা করেছিলাম বাসে উঠবার আগ পর্যন্ত কিন্তু তার পরে আর নয় আমার কাছ থেকে।
ওখানে যাবার পর বুঝতে পারলাম, আসলে পিকনিকটা আমাদের জন্য নয়। ডিবিবিএল বর্নবাদে বিশ্বাসী। এখানে দুটি জাত আছে: ১। কোর টিম ২।আনকোরা টিম(!)। আর কোথাও না হলেও আইটি ডিবিশনে এটা খুব প্রচলিত বর্ণ প্রথা। তথা কথিত কোর টিমের কাজ হল সব সময় এটা বুঝিয়ে চলা তারা সবার থেকে আলাদা এলিট সম্প্রদায়ের মানুষ। পিকনিকটাও সেই উচ্চবংশীয় কোর টিমের জন্য। আনকোরা টিমের কাজ হল তাদের বিনোদনের উপকরণ হওয়া। এরা না থাকলে ওটা পিকনিক ভাবের সৃষ্ঠি করে না শুধু মাত্র এজন্যই আমরা। পিকনিকের আরম্ভলগ্নেই কোন এক নেতার মুখ থেকে উচ্চরিত হল সেই যুদ্ধের দামামা।"এখন ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্টিত হবে কোর টিম বনাম অন্যান্যরা"। সারা বছরের সকাল থেকে মধ্যে রাত্রি পরিশ্রমের পর প্রিয একটি ছুটির দিন হারিয়ে জাতীয়তা বিসর্জন দিয়ে আনকোরা সবাই হাজির হয়েছে একটু নির্মল আনন্দ পাবার আশায়, কর্তাব্যাক্তিদের একটু অন্যভাবে পাবার জন্য। আর কোরমার্গীয়রা হাজির হয়েছে, একমাত্র মাঠ টিকে আটকে রেখে তাদের লীলাখেলা দেখানোর আশায়। আসলেই না হলে এটা কোর হবে কেন, যদি মৌলত্ত্বই না থাকল।
বিকালে শুরু হল, আনকোরাদের দর্শক হবার পর্ব। তারপর বাসায় ফেরার লগ্ন।
ভেবেছিলাম, অন্যকিছু হবে। অনেক মজা করব। উপভোগ করব নিজের মত। কিছুটা পেরেছি। কিন্তু সেটুকুও ম্লাণ হয়ে গেল রাজার নিজের রাজ্য নিজে দখল করবার খেলায়। আমার অন্য অভিজ্ঞতার থেকে আলাদা কিছু নয়।
কেউ আমার ব্লগ পড়ে না, আমি সেটা আশাও করিনা। আমাকে যারা ব্যক্তিগত ভাবে চেনে তারা সকলেই জানে আমি একটি সমস্যাপূর্ণ মানুষ, যেখানেই যাই সবখানেই সমস্যা। অন্য কারোর কাছে এই পিকনিকের অভিজ্ঞতাটিই হয়ত অনেক আনন্দের স্মৃতি বহুল। দ্বিমত পোষনকারী যারা, তাদের ভালোলাগার জন্য একটি ছোট্ট গল্প দিয়ে শেষ করবঃ
এক রোগীর সারা শরীরে খুব যন্ত্রনা। কোন উপায়ন্তর না পেয়ে সে ডাক্তারের শরণাপন্ন হল। ডাক্তার সাহেব তার সারা শরীরে পরীক্ষা করে দেখল তার কোথাও কোন ব্যাথা নাই। রোগীকে বলা মাত্র সে তো আকাশ থেকে বলল, কী বলেন ডাক্তার সাহেব। এই দেখুন আমি যেখানেই আঙুল রাখছি সেখানেই ব্যাথা পাচ্ছি, আর আপনি কিনা কোথাও খুঁজে পাচ্ছেন না। তখন ডাক্তার দেখল, রোগী যে আঙুল দিয়ে তার শরীর টিপে দেখছে তার সেই আঙুলটাতেই ব্যাথা।
আমার সমস্যাটা হয়ত আমার আঙুলটাতেই।
ওখানে যাবার পর বুঝতে পারলাম, আসলে পিকনিকটা আমাদের জন্য নয়। ডিবিবিএল বর্নবাদে বিশ্বাসী। এখানে দুটি জাত আছে: ১। কোর টিম ২।আনকোরা টিম(!)। আর কোথাও না হলেও আইটি ডিবিশনে এটা খুব প্রচলিত বর্ণ প্রথা। তথা কথিত কোর টিমের কাজ হল সব সময় এটা বুঝিয়ে চলা তারা সবার থেকে আলাদা এলিট সম্প্রদায়ের মানুষ। পিকনিকটাও সেই উচ্চবংশীয় কোর টিমের জন্য। আনকোরা টিমের কাজ হল তাদের বিনোদনের উপকরণ হওয়া। এরা না থাকলে ওটা পিকনিক ভাবের সৃষ্ঠি করে না শুধু মাত্র এজন্যই আমরা। পিকনিকের আরম্ভলগ্নেই কোন এক নেতার মুখ থেকে উচ্চরিত হল সেই যুদ্ধের দামামা।"এখন ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্টিত হবে কোর টিম বনাম অন্যান্যরা"। সারা বছরের সকাল থেকে মধ্যে রাত্রি পরিশ্রমের পর প্রিয একটি ছুটির দিন হারিয়ে জাতীয়তা বিসর্জন দিয়ে আনকোরা সবাই হাজির হয়েছে একটু নির্মল আনন্দ পাবার আশায়, কর্তাব্যাক্তিদের একটু অন্যভাবে পাবার জন্য। আর কোরমার্গীয়রা হাজির হয়েছে, একমাত্র মাঠ টিকে আটকে রেখে তাদের লীলাখেলা দেখানোর আশায়। আসলেই না হলে এটা কোর হবে কেন, যদি মৌলত্ত্বই না থাকল।
বিকালে শুরু হল, আনকোরাদের দর্শক হবার পর্ব। তারপর বাসায় ফেরার লগ্ন।
ভেবেছিলাম, অন্যকিছু হবে। অনেক মজা করব। উপভোগ করব নিজের মত। কিছুটা পেরেছি। কিন্তু সেটুকুও ম্লাণ হয়ে গেল রাজার নিজের রাজ্য নিজে দখল করবার খেলায়। আমার অন্য অভিজ্ঞতার থেকে আলাদা কিছু নয়।
কেউ আমার ব্লগ পড়ে না, আমি সেটা আশাও করিনা। আমাকে যারা ব্যক্তিগত ভাবে চেনে তারা সকলেই জানে আমি একটি সমস্যাপূর্ণ মানুষ, যেখানেই যাই সবখানেই সমস্যা। অন্য কারোর কাছে এই পিকনিকের অভিজ্ঞতাটিই হয়ত অনেক আনন্দের স্মৃতি বহুল। দ্বিমত পোষনকারী যারা, তাদের ভালোলাগার জন্য একটি ছোট্ট গল্প দিয়ে শেষ করবঃ
এক রোগীর সারা শরীরে খুব যন্ত্রনা। কোন উপায়ন্তর না পেয়ে সে ডাক্তারের শরণাপন্ন হল। ডাক্তার সাহেব তার সারা শরীরে পরীক্ষা করে দেখল তার কোথাও কোন ব্যাথা নাই। রোগীকে বলা মাত্র সে তো আকাশ থেকে বলল, কী বলেন ডাক্তার সাহেব। এই দেখুন আমি যেখানেই আঙুল রাখছি সেখানেই ব্যাথা পাচ্ছি, আর আপনি কিনা কোথাও খুঁজে পাচ্ছেন না। তখন ডাক্তার দেখল, রোগী যে আঙুল দিয়ে তার শরীর টিপে দেখছে তার সেই আঙুলটাতেই ব্যাথা।
আমার সমস্যাটা হয়ত আমার আঙুলটাতেই।
মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
সরস্বতী পূজা ও আমি
সরস্বতী পূজা প্রতি বছরই একটি নতুন মাত্রা নিয়ে আসে সেই ছোট বেলা থেকেই। আমি আজও কেমন যেন মনে করতে পারি সেই দিনটাকে যেদিন দেবী মায়ের সামনে পুরোহিত মশাই আমার হাতখড়ি দিয়েছিল। খুব মজা লাগত যখন প্রতিবছরই নতুন বই দেবী মায়ের সামনে রেখে নতুন বছরের পড়াশোনার প্রস্তুতি নেওয়া হত; ঠিক করা হত নতুন কোন লক্ষ্যমাত্রা।পূজার দিনটি চলত না কোন রকমের পড়াশোনা।খাবার দাবারের রকমটিও ছিল ভিন্ন স্বাদের। পূজার আগের দিন মা তৈরী করে বিভিন্ন রকমের মোয়া,দই, খই। সবই পূজার জন্য, পরোক্ষভাবে আমার জন্য। পূজার দিনটি আমাদের বাড়ীতে খুব ভিড় হয়। আমার মায়ের অনেক ছাত্রছাত্রী, তাদের পরিবার, পাড়ার ছেলেমেয়েরা আসে আমাদের বাড়ীতে।
যখন মাধ্যমিকস্তরের ছাত্র তখন পূজার পরই চলে যেতাম স্কুলের পূজাতে। সেখানের মজাটা ভিন্ন স্বাধের যেখানে পূজার থেকেও বড় হয়ে ওঠত অন্য কোন কিছু। সরস্বতী পূজাকে কেন্দ্র করে জীবনে একটি স্বাদ আমার অপূর্ণ আছে। সবসময়ই স্কুলের পূজা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ত্বে থাকত দশম শ্রেনীর ছাত্ররা। ষষ্ঠ শ্রেনী থেকেই সব সময় ভাবতাম কবে আমিও পূজার চাঁদা আনবার জন্য ক্লাস টাইমে প্রত্যেক শ্রেনী কক্ষে যাব, রাত জেগে পূজা আয়োজন করব, মানুষের বাড়ীতে যেয়ে কাঠ, ফুল যোগাড় করব। স্বাদটা অপূর্ণই রয়ে গেছে আমার। এখন খুব মনে পড়ে বার বার এটি।
পূজার আগের দিন রাতে ফুল যোগাড় করার একটি লক্ষ্য থাকতো সবার। কে কত ফুল আগামীকাল মায়ের পায়ের কাছে জড় করতে পারে; আমার অংশগ্রহন তেমন কখনই হয়নি। আমার দাদা ছিল ফুল জোগাড় করবার গুরু। আর আমি পাহারা দিতাম নিজেদের বাড়ীর ফুল গুলা যৈন কেউ না নিতে পারে। তবে একবার পলাশ ফুল যোগাড় করবার জন্য সাইকে নিয়ে বেড়িয়েছিলাম। এডভেঞ্চারই মনে হচ্ছিল, কারণ ফুল খুবই কম পাওয়া যায়।
যখন পড়াশোনার জন্য কোলকাতা ছিলাম, তখন একটি বিষয় আমার চোখে পড়ে। ওখানকরা ছেলেমেয়েদের মধ্যে ভ্যলেনটাইন ডের দেশীয় সংস্করণই হল এই পূজা। কারণ এই দিনে প্রতিদিনের দৃশ্যমান সহপাঠিনীটিও শাড়ী পরে নারী রূপে প্রথম মনে দোলা দিয়ে যায়, আসলেই মনে ফড়ফুরে মৃদু বাতাস লাগবার মতনই বিষয়। আর আমারও মনে পড়ে সেই সময়টিতে কেন আমার মনে পূজা আয়োজন করতে না পারার দুঃখটা এখনও বিধে আছে। কারণ পূজা আয়োজন করা ব্যাতীত বাস্তবের মনদেবীকে খুব কাছে পাবার সুযোগ বছরে খুব কমই কিন্তু আসে।
এখনও পূজার দিনটি আমার মন ঘুরে বেড়ায় আমার বাড়ীতে আমার পরিবারের সাথে; খুব মন খারাপ হয় এটা ভেবে কেন বড় হয়েছিলাম। এটাও সব সময় মনে হয় যদি পড়াশোনা শিখে বাবা মাকে দাদাকে ছেড়ে দূরে কোথাও থাকতে হবে এটা জানা থাকলে এই পড়াশোনা আমি কখনই শিখতাম না।
যখন মাধ্যমিকস্তরের ছাত্র তখন পূজার পরই চলে যেতাম স্কুলের পূজাতে। সেখানের মজাটা ভিন্ন স্বাধের যেখানে পূজার থেকেও বড় হয়ে ওঠত অন্য কোন কিছু। সরস্বতী পূজাকে কেন্দ্র করে জীবনে একটি স্বাদ আমার অপূর্ণ আছে। সবসময়ই স্কুলের পূজা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ত্বে থাকত দশম শ্রেনীর ছাত্ররা। ষষ্ঠ শ্রেনী থেকেই সব সময় ভাবতাম কবে আমিও পূজার চাঁদা আনবার জন্য ক্লাস টাইমে প্রত্যেক শ্রেনী কক্ষে যাব, রাত জেগে পূজা আয়োজন করব, মানুষের বাড়ীতে যেয়ে কাঠ, ফুল যোগাড় করব। স্বাদটা অপূর্ণই রয়ে গেছে আমার। এখন খুব মনে পড়ে বার বার এটি।
পূজার আগের দিন রাতে ফুল যোগাড় করার একটি লক্ষ্য থাকতো সবার। কে কত ফুল আগামীকাল মায়ের পায়ের কাছে জড় করতে পারে; আমার অংশগ্রহন তেমন কখনই হয়নি। আমার দাদা ছিল ফুল জোগাড় করবার গুরু। আর আমি পাহারা দিতাম নিজেদের বাড়ীর ফুল গুলা যৈন কেউ না নিতে পারে। তবে একবার পলাশ ফুল যোগাড় করবার জন্য সাইকে নিয়ে বেড়িয়েছিলাম। এডভেঞ্চারই মনে হচ্ছিল, কারণ ফুল খুবই কম পাওয়া যায়।
যখন পড়াশোনার জন্য কোলকাতা ছিলাম, তখন একটি বিষয় আমার চোখে পড়ে। ওখানকরা ছেলেমেয়েদের মধ্যে ভ্যলেনটাইন ডের দেশীয় সংস্করণই হল এই পূজা। কারণ এই দিনে প্রতিদিনের দৃশ্যমান সহপাঠিনীটিও শাড়ী পরে নারী রূপে প্রথম মনে দোলা দিয়ে যায়, আসলেই মনে ফড়ফুরে মৃদু বাতাস লাগবার মতনই বিষয়। আর আমারও মনে পড়ে সেই সময়টিতে কেন আমার মনে পূজা আয়োজন করতে না পারার দুঃখটা এখনও বিধে আছে। কারণ পূজা আয়োজন করা ব্যাতীত বাস্তবের মনদেবীকে খুব কাছে পাবার সুযোগ বছরে খুব কমই কিন্তু আসে।
এখনও পূজার দিনটি আমার মন ঘুরে বেড়ায় আমার বাড়ীতে আমার পরিবারের সাথে; খুব মন খারাপ হয় এটা ভেবে কেন বড় হয়েছিলাম। এটাও সব সময় মনে হয় যদি পড়াশোনা শিখে বাবা মাকে দাদাকে ছেড়ে দূরে কোথাও থাকতে হবে এটা জানা থাকলে এই পড়াশোনা আমি কখনই শিখতাম না।
লেবেলসমূহ:
দিনটি,
স্মৃতিচারণ,
My Family
শনিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১১
বর্ষন্ত ও বর্ষরম্ভ
১লা জানুয়ারীর গুরুত্ত্ব একটু অন্যরকম ছিল ছোটবেলাতে। সাধারণত এই দিনটিতে শুরু হত নতুন ক্লাসের প্রথম পড়াশোনা। তখন খুব মনে হত কবে আমরা ২০০০ সাল দেখব আর কবেই বা দেখব ২০১০ সাল এমনি দুেরে দুরের সাল গুলো। এখন আর সেরকম আশাটি খুব বেশী একটা করি না। ইংরেজী নতুন বর্ষ আমার কাছে তেমন কোন প্রভাব ফেলত না। তবে বছরের শুরুতে অনেক অনেক চিন্তাভাবনা নিয়ে শুরু করতাম, কিন্তু বছেরে শেষে এসে তার খুব কমই মিলিয়ে দেখা হত।
বর্তমানে বছরের শেষ দিন থেকে শুরু করে বছরের প্রথম দিন পর্যন্ত খুবই উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায় তরুন তরুনীর মধ্যে। কিন্তু তার পর শূন্যতা। কত রকমের শুভকাঙ্খা থাকতে পারে তারই যেন প্রতিযোগীতা; মোবাইলের এসএমএস বহর, ফেসবুক নামক সমাজে পোস্টের পর পোস্ট আর তার সাথে রকমারী কমেন্টস। তারপর বছর শেষ। বছরের বাকী ৩৬৩ দিন আর কোন খবর রাখিনা আমরা; খবর রাখিনা একবারের জন্য আসা বছরটিকে আমরা কতটা ভালো রেখেছি। সরকার আর বিরোধী দল নামে প্রতিটি দিনকে স্মরনীয় করে রাখবার মেকী প্রতিযোগীতায়, আর তথা কথিত যুবারা নামে যুবতীকে কটাক্ষ করার ভুমিকায়। বছর প্রতিবছরই নিরাশ হয় আমাদের কাছে। আর কতদিন নিরাশ রাখব আর। আমরা কেন শুধু ওর কাছ থেকে ভালো ভালো চাইব কিন্তু নিজেরা ভালো কিছু করব না।
বর্তমানে বছরের শেষ দিন থেকে শুরু করে বছরের প্রথম দিন পর্যন্ত খুবই উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায় তরুন তরুনীর মধ্যে। কিন্তু তার পর শূন্যতা। কত রকমের শুভকাঙ্খা থাকতে পারে তারই যেন প্রতিযোগীতা; মোবাইলের এসএমএস বহর, ফেসবুক নামক সমাজে পোস্টের পর পোস্ট আর তার সাথে রকমারী কমেন্টস। তারপর বছর শেষ। বছরের বাকী ৩৬৩ দিন আর কোন খবর রাখিনা আমরা; খবর রাখিনা একবারের জন্য আসা বছরটিকে আমরা কতটা ভালো রেখেছি। সরকার আর বিরোধী দল নামে প্রতিটি দিনকে স্মরনীয় করে রাখবার মেকী প্রতিযোগীতায়, আর তথা কথিত যুবারা নামে যুবতীকে কটাক্ষ করার ভুমিকায়। বছর প্রতিবছরই নিরাশ হয় আমাদের কাছে। আর কতদিন নিরাশ রাখব আর। আমরা কেন শুধু ওর কাছ থেকে ভালো ভালো চাইব কিন্তু নিজেরা ভালো কিছু করব না।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)